সনৎ কুমার ব্যানার্জি , পশ্চিম বর্ধমান : দুর্গাপুরের কাদা রোড যৌনপল্লী থেকে উদ্ধার হল এক নাবালিকা। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান বাংলাদেশী নাবালিকা। চাকরির প্রবণ দেখিয়ে এদেশে আনা হয়েছিল মনে করা হচ্ছে। রবিবার রাতে যৌনপল্লীতে এই নাবালিকাকে ঘুরতে দেখা যায়।
দুর্বারের প্রতিনিধিরা ঘুরতে থাকা মেয়েটিকে দেখে সন্দেহ জাগে, দুর্বার সমিতির অফিসে নাবালিকাকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করেন দুর্বার এর প্রতিনিধিরা কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদ এর সময় নাবালিকার কথাবার্তা তে প্রচুর অসংগতি মেলে। তারা পরিচয় পত্র দেখতে চান।
কিছুই দেখাতে পারেননি। দুর্বার সমিতির লোকজন ওয়ারিয়া ফাঁড়ি র পুলিশের হাতে তুলে দেন। পুলিশ নাবালিকাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং কাকসার ডাঙ্গাপাড়া থেকে এক মহিলা সাহিনী দেবী ও তার স্বামী মুস্তাক আহমেদকে গ্রেফতার করে। পরে ভিরিঙ্গি বস্তি থেকে আটক করে পাপ্পু রজকে।
অভিযোগ এই নাবালিকাকে এই তিনজন মিলে এই যৌনপল্লীতে নিয়ে আসে। আরো অভিযোগ কিছুদিন দুর্গাপুরের কোন বিউটি পার্লারের আড়ালে এই নাবালিকাকে যৌন ব্যবসাতে নিযুক্ত করা হয়। পুলিশের অনুমান কোন নারী পাচার চক্রের খপ্পরে পড়েছিল এই নাবালিকা। মঙ্গলবার তদন্তের প্রক্রিয়ার স্বার্থে গ্রেফতার হওয়া তিনজন অভিযুক্ত দের দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়।
পুলিশ আদালতের কাছে অভিযুক্তদের ১০ দিনের পুলিশ হেফাজত চেয়ে আদালতে পেশ করে। আদালত মাত্র পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতে রাখা নির্দেশ দেন।এখন প্রশ্ন হচ্ছে কে কেন এই নাবালিকাকে এনেছিল, এবং কি উদ্দেশ্য ছিল, এই নাবালিকাকে নিয়ে, দুর্গাপুরে কি নারী পাচার চক্র সক্রিয়, সময় বলবে সঠিক উত্তর।
